নাজমুল হুদা

মোহাম্মদ নাজমুল হুদা

মাননীয় সংসদ সদস্য মেহেরপুর -২ আসন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মেহেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর শুরা ও কর্ম পরিষদ সদস্য ফার্মাসিস্ট
মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার রাজনীতিতে সুপরিচিত এক নাম মোঃ নাজমুল হুদা । তিনি শুধু একজন রাজনীতিবীদ ই নন বরং সমাজসেবক ,সফল ব্যবসায়ী এবং ইসলামী সমাজ বিনির্মানের অকুতোভয় সৈনিক । ১৯৫৮ সালের ১৯ শে সেপ্টেম্বর কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে এক সমভ্রান্ত পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন। বাবা আলতাব হোসেনের ছিলেন সৎ- নিষ্ঠাবান ব্যবসায়ী হিসেবে আকাশ চুম্বি ক্ষ্যাতী । মা একজন গৃহীনি। যদিও জন্ম দৌলতপুরে কিন্তু শৈশব থেকেই মেহেরপুরের এই সবুজ শ্যামল পরিবেশেই বেড়ে ওঠা । এবং শৈশব থেকেই গাংনী শহরের প্রান কেন্দ্রে স্থায়ী বসবাস । মেহেরপুর শহরেই প্রাথমিক শিক্ষা লাভের পর ভর্তি হন মেহেরপুর সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে । মাধ্যমিক স্তরে কৃত্বিতের সাক্ষর বহন করেন । এইচ এস সি পাসের পর রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে সফলতার সাথে ফার্মাসিস্ট কোর্স সম্পন্ন করেন । শুরু জীবনের নতুন অধ্যায় । ব্যক্তি জীবনের সার্থ ত্যাগ করে ,চাকরীর পিছনে না ছুটে , মানব সেবার মহান ব্রত নিয়ে গাংনী শহরের প্রান কেন্দ্রে প্রথিষ্ঠিত করেন “হুদা মেডিকেল হল “ এবং” হুদা ডায়াগনষ্টিক সেন্টার “ যার সুনাম ছড়িয়ে পড়ে দীক থেকে দীগন্তে , যে প্রতিষ্ঠানের সেবার মান উপজেলার প্রতিটি মানুষের হ্রদয় স্পর্শ করে যায় । তিনি উপলদ্ধি করেন একক ব্যক্তি প্রচেষ্টায় এই ঘুনে ধরা সমাজ পরিবর্তন সম্ভব নয় । তাই মহান আল্লাহর সন্তষ্টী লাভের আশায় ,মানব সেবা সমাজের প্রতিটি মানুষের দৌড় গোড়ায় পৌছে দেওয়ার জন্য , সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সমাজের প্রতিটি যায়গায় অসহায় ,হত দরিদ্র ,দুঃখী মানুষের পাসে দাড়ানোর জন্য, যোগ দেন এক ঝাক ধর্ম ভীরু মানুষের সংগঠন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে । নিজের কর্ম দক্ষতা,যোগ্যতা, নীতি আদর্শকে কাজে লাগিয়ে ধিরে ধিরে হয়ে ওঠেন সংগঠন সহ সকল শ্রেনী পেসার মানুষের কাছে আস্থা ও বিশ্বাসের এক ম্রত প্রতিক । পর্যায় ক্রমে সংগঠনের সকল ধাপ পেরিয়ে শহর ,উপজেলা ,এবং জেলার বিভিন্ন পদে সর্বউচ্চ সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন । আমাদের সমাজের নেতা নেত্রীদের সিমাহীন দুর্নীতি ,ক্ষমতা পাওয়ার পর জনগনকে অবহেলা করা এই গতানুগতিক ধারার রাজনীতি পরিবর্তনের লক্ষে সংগঠনের সিন্ধান্ত অনুযায়ী অংশ গ্রহন করেন উপজেলা নির্বাচনে ,তদানিন্তন হেবি ওয়েট প্রার্থীদের পরাজয়ের গ্লানি শুনিয়ে ব্যাপক ভোটের ব্যাবধানে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন । চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব ভার গ্রহনের পর ব্যক্তি হুদা হয়ে উঠেন আমজনতার কাছে জনপ্রিয়তার শীর্শ নেতা । শিক্ষা অনুরাগি ,ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন এই মানুষটি অনুভব করেন সমাজ পরিবর্তনের জন্য প্রতিটি পরিবারে শিক্ষিত জনবলের কোন বিকল্প নাই তারই ধারাবাহিকতায় নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত ,উচ্চবিত্ত সকল পরিবারের জন্য শিক্ষা অপরিহার্য তাই সংগঠনের সকল নেতা কর্মিদের সহযোগিতায় , মানব সেবি প্রতিষ্ঠান আল-মদিনা ট্রাষ্টের আওতায় ইসলামী শিক্ষা ও জেনারেল শিক্ষার সমন্বয়ে গড়ে তোলেন এক ব্যতিক্রম ধর্মী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আল-মদিনা দাখিল মাদ্রাসা । যা এখনো অত্যান্ত সুনামের সাথে তার পথ বেয়ে চলছে । বাবা মা হারা পথ শিশুদের জন্য প্রতিষ্ঠিত করেছেন” দারুল এয়াতিম “ নামে একটি এই উপজেলার সর্বউচ্চ সুনাম ধন্য এতিম খানা । যার পাসাপাসি রয়েছে হেফজ খানা , মসজিদ সহ কুটির শিল্প সংস্থা । এই প্রতিষ্ঠান গুলোতে অসংখ্য বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের মাধ্যমে সমাজের অভিসাপ দূর হয়েছে । প্রতিষ্ঠিত করেছেন , অসহায় ,হতদরিদ্র মানুষের জন্য একটি ফ্রি চিকিৎসা সেবা প্রতিষ্ঠান দাতব্য চিকিৎসালয় । উপজেলা শহরের বড় মসজিদ নামে ক্ষ্যাত গাংনী বাজার জামে মসজিদ সহ অসংখ্য সামাজিক প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপুর্ন দায়িত্ব পালনে নিজের যোগ্যতা ,কর্ম দক্ষ্যতা এবং সততার যে উজ্জল দৃষ্টান্ত তুলে ধরেছেন তা সাধারন মানুষের কাছে হয়ে আছে বিশ্বাস ও আস্থার প্রতিক । তিনার প্রিয় শিক্ষক মরহুম আবুল হাসান সাহেবের অনুপ্রেরনায় ইসলামী রাজনীতিতে মনোনিবেশ দেন , ইসলামী সমাজ বিনির্মানের এই রাজনীতিতে এসে সকল ক্ষেত্রে রেখেছেন অসামান্য অবদান । নির্যাতিত ,নিপিড়িত ,সুবিধা বঞ্চিত মানুষের পাসে দাঁড়িয়ে গনতান্ত্রিক সকল আন্দোলন সংগ্রাম করে গেছেন ন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ বিনির্মানে । ফোলশ্রতিতে অসংখ্য মিথ্যা মামলায় বার বার কারাবরন করতে হয়েছে এই মজলুম নেতা কে । সদা হাস্যওজ্জল ও মানবিক দৃষ্টীভঙ্গীর অধিকারী এই মানুষ টি নির্যাতনের শিকার হয়েও ভুলে যাননি মানব সেবার কথা । ইসলামী মুল্যবোধের মানুষ হয়েও অন্য জাতি ও ধর্মের প্রতি আছে পরম শ্রদ্ধা । সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ক্ষেত্রে আপসহীন ব্যক্তিত্ব । = গাছ লাগানো ও বিভিন্ন বই পড়া শখ থাকলেও কুরআন- হাদিসের উপর রয়েছে বিশেষ পান্ডিত্ব । ইসলামী কবি ও লেখক কবি আল মাহমুদের ভক্ত এই মানুষটি দেশিও সংস্ক্রতি লালন করেন সকল ক্ষেত্রে । বর্তমানে মেহেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর শুরা ও কর্ম পরিষদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন । ভোটের অধিকার নিশ্চিত করন , সন্ত্রাস দুর্নীতি চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট মুক্ত সমাজ বিনির্মান, সাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করন ,নারী অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করন ,বেকার ও মাদক মুক্ত সমাজ উপহার , শ্রমজীবি মানুষের অধিকার ,কিষি পন্যের নায্য মুল্য প্রদানের অঙ্গীকার নিয়ে আগামী নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ,আমজনতার সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হিসেবে ভোটের মাঠে লড়বেন ইনশাল্লাহ । আল্লাহর সন্তুটি অর্জনের মাধ্যমে ন্যায় ও ইনশাফ ভিত্তিক সমাজ বিনির্মানে তরুন দের অগ্রনী ভুমিকা রাখার অনুরোধ করে ,সকল শ্রেনী পেসার মানুষের কাছে দোয়া ও সমর্থন কামনা করে ক্ষমতার জন্য নয় মানুষের সেবক হয়ে কাজ করার শফথ নিয়ে ছুটে চলেছেন গাংনী উপজেলার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত , দিক থেকে দিগন্তে